নান্দাইল, ময়মনসিংহঃ ময়মনসিংহ জেলার নান্দাইল উপজেলার অন্তর্গত বাকচান্দা ফাজিল মাদ্রাসা। বর্তমানে ১ হাজারের মতো ছাত্র-ছাত্রী শিক্ষারত। প্রতিষ্ঠানে সরজমিনে গিয়ে জানা যায়, আবুল আনসার মোঃ গোলাম আজম সহকারী অধ্যাপক, ১৫ সালে অসুস্থ হয়ে শয্যাশায়ী হয়ে পরেন। এরপর থেকেই তার অবস্থা দিনে দিনে অবনতি হতে থাকে। প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত আসা-যাওয়া পরিবর্তনে মাসে একবার নিজস্ব নিয়ম করে নেন। সময়ের ব্যবধানে তিনি পাঠদানে অক্ষম হয়েও পরেন। বেতন-ভাতা দীর্ঘ ১০ বছর যাবৎ। মাস শেষে হাজিরা খাতায় সই করে নিয়ে যাচ্ছেন বেতন-ভাতা।
এ ব্যপারে মাদ্রসার সহকারী অধ্যাপক মোঃ আলাউদ্দিনকে জিজ্ঞাসা করলে সত্যতা স্বীকার করেন৷ অফিস সহকারী মোঃ জাহিদুল ইসলাম বলেন, প্রতি মাসে একবার হাজিরা খাতায় সই করে বেতন-ভাতা নিয়ে যান। দেখা গেল এ মাসের ১৭/৯/২৫ ইং তারিখ পর্যন্ত হাজিরা খাতায় সই নাই। ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকের কাছে মোবাইলে জানতে চাইলে, তিনি বলেন হঠাৎ আসেন। সাধারণ মানুষকে জিজ্ঞাসা করলে বলেন, মাদ্রাসায় কোনদিনও নির্বাচিত কমিটি হয়নি। মাদ্রাসায় না এসে বেতন-ভাতা নেওয়া অপরাধে আজম স্যারের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
নান্দাইল উপজেলার মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার রফিকুল ইসলাম ভূইয়া বলেন, উনি মাদ্রাসা ক্লাস না করে বেতন-ভাতা নিচ্ছেন, তা আমার জানা নেই। এডিসি শিক্ষা লুৎফর নাহার (বর্তমান সভাপতি) কে মোবাইলে জানতে চাইলে, উনি বলেন আমার পূর্বে জানা ছিল না এখন জানতে পারলাম। দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে নির্দেশ দিয়েছি এবং সহকারী অধ্যাপক মোঃ গোলাম আজমকে স্ব -শরীরে হাজিরের নির্দেশ দিয়েছি।
